Address
Present Address
-
Upazila
Kurigram Sadar
-
District
Kurigram
-
Division
Rangpur
Permanent Address
-
Upazila
Kurigram Sadar
-
District
-
Division
Rangpur
Educational qualification
ডিপ্লোমা সিভিল ইন্জিনিয়ারিং
-
Institution name
কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
-
Result
3.58out of 4.00
-
Year of passing
2022
এসএসসি
-
Institution name
বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল, কুড়িগ্রাম
-
Result
A
-
Year of passing
2018
Professional information
-
Profession
ইঞ্জিনিয়ার
-
Write briefly about your profession
ডিপ্লোমা সিভিল ইন্জিনিয়ার
Personal information
-
Do you have any major physical problems?
না
-
What is your personality type?
N/A
-
Do you like travelling?
N/A
-
Write something about yourself
আল্লাহর আর্দেশ মেনে চলার চেষ্টা করি সবসময়, রাসূল এর সূন্নাহ মেনে চলার চেষ্টা করি, ইসলামিক বই পড়তে পছন্দ করি , সত্য কথা বলতে পছন্দ কর , তাবলীগ করতে ভালো লাগে , জীবন নিয়ে ইসলামী বাণী খোঁজ করে থাকে , তাই আমরা আজকের এই পোস্টে জীবন নিয়ে ইসলামিক বাণী তুলে ধরেছি , ইসলামিক বানী থেকে জ্ঞান অর্জন করা যায় এবং শিক্ষা গ্রহণ করে জীবন যাপন করা যায়, জীবন নিয়ে ইসলামিক বাণী নিচে দেয়া হয়েছে সংগ্রহ করে নিন। আর দুনিয়ার জীবন, খেলাধুলা ও তামাশা ছাড়া কিছুই না । — সূরা আনয়াম – ৩২ জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে । – হযরত আলী (রাঃ) এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবেনা।যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে॥” অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করেনা, সকলকেই সে নিজের মত ভাবে।- হজরত আলী (রাঃ) পূর্ণ অর্জন অপেক্ষায়, পাপ বর্জন করা শ্রেষ্ঠতর।- হজরত আলী (রাঃ) সে ব্যক্তি মুমিন নয় যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে, অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে॥”- আল হাদিস। নিচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।- হযরত আলী (রা) যে নিজের মর্যাদা বোঝেনা অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না!- হযরত আলী (রাঃ) আল্লাহর ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ্ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন। __বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ)।
Family information
-
Is the father alive?
N/A
-
Write about the father's profession
dead
-
Is the mother alive?
N/A
-
Write about the mother's profession
retired
-
Number of siblings
Brothers 3 people, Sisters 0 people
-
Write briefly about each sibling's profession and marital status
বড় ভাই ঔষধ ব্যাবসায়ী, মেঝ ভাই বেকার, সবশেষ ভাই ইন্টারনেট ব্যাবসায়ী, সবাই বিবাহিত ।
-
Write briefly about your uncles and aunts
N/A
-
Family's financial status
মধ্যবিত্ত
-
Details of the family's financial status (land, business, and other assets)
This information must be updated.
Islamic activities
-
Do you pray regularly?
হ্যাঁ, ৫ ওয়াক্ত আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ।
-
Do you keep a sunnah beard?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
Are mahram / non-mahram rules followed?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
Can you recite the Quran correctly?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
-
What kind of clothing do you usually wear outside the home?
সুন্নতি ও টি শার্ট পরিধান করি ।
-
Write the names of a few of your favourite scholars / Islamic scholars?
আবু তোহা আদনান, আছিফ, শায়ক আহমাতুল্লাহ ।
-
Which aqeedah / madhhab do you follow?
হানাফী মাজহাব
-
Are you involved with smoking, drugs, or haram food?
না, আলহামদুলিল্লাহ
-
Are you involved with any political party or Islamic organization?
না
Marriage-related information
-
Are you able to provide your wife an environment of purdah?
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ
-
Will you allow your wife to study after marriage?
N/A
-
Will you allow your wife to work after marriage?
N/A
-
Where will you live with your wife after marriage?
N/A
-
Will you or your family expect dowry/gifts/money from the bride's side for the marriage?
N/A
-
What is your opinion about the dowry (mahr)?
আমার সামর্থ অনুযায়ী
I am looking for
-
Age range
18-25
-
District
লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম
-
Profession
শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী
-
Marital Status
অবিবাহিত
-
Family status
নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত
-
Height
5'1''-7'0''
-
Skin color
ফর্সা, উজ্জ্বল শ্যামলা, শ্যামলা
-
What educational qualification do you expect?
এসএসসি বা এইচএসসি বা মাদ্রাসা
-
What characteristics or qualities do you expect in a life partner
কিছু নসিহা : ১) যথাযথভাবে স্বামীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা , নিজের আদব-আখলাক ও সেবার মাধ্যমে স্বামীর মন জয় করা এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা , তবে শরীআত বিরোধী কোন কাজ হলে তাতে অপারগতা প্রকাশ করা , ২) স্বামীর সামর্থ্যের অতিরিক্ত কোন চাপ সৃষ্টি না করা , ৩) অনুমতি ছাড়া স্বামীর সম্পদ ব্যয় না করা , ৪) স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ীর বাইরে না যাওয়া , ৫) স্বামীর অনুমতি ছাড়া নিজের কাউকে স্বামীর ঘরে আসতে না দেয়া , ৬) স্বামীর অনুমতি ছাড়া নফল রোযা না রাখা, তেমনি ভাবে স্বামীর উপস্থিতিতে লম্বা সময় ধরে নফল নামায পড়তে হলে তার অনুমতি নিয়ে পড়া , ৭) স্বামীর অসচ্ছলতা বা অসুন্দর আকৃতির জন্য তাকে তুচ্ছ না ভাবা. ৮) স্বামীকে মুরব্বী হিসেবে মান্য করা এবং তার নাম ধরে না ডাকা। তার সামনে রাগের সাথে বা বদ তমীযির সাথে তর্ক না করা। ৯) কারো সামনে স্বামীর বদনাম বা সমালোচনা না করা। ১০) স্বামীর আত্মীয় ও আপনজনদের সাথে এমন ব্যবহার না করা যাতে তার মনে কষ্ট হয়। বিশেষতঃ নিজের পক্ষ থেকে স্বামীর পিতা-মাতাকে সেবার পাত্র মনে করে যথাসম্ভব শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও খিদমত করা। ১১) সন্তানদেরকে মায়া-মমতার সাথে লালন-পালন করা এবং তাদের খানা-পিনা, উযূ-গোসল, নামায-কালাম ইত্যাদির সুন্নাত তরীকা শিক্ষা দেয়া।বিবাহের ফযীলত : মহান রাব্বুল ’আলামীন সৃষ্টি জগতের সকল কিছুকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে তিনি মানবজাতিকে তৈরী করেছেন। তাদেরকে নারী ও পুরুষ এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। সৃষ্টিগত ভাবেই এক শ্রেণী আরেক শ্রেণীর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকে। সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই বিপরীতমুখী দুই শ্রেণীর পারস্পরিক সমন্বয় সাধন প্রক্রিয়া হিসেবে তিনি শরী‘আতে বিবাহ নামক বন্ধন ব্যবস্থার আদেশ দিয়েছেন। বিবাহ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যে, এতদ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “বান্দা যখন বিবাহ করল তখন তার দ্বীনদারী অর্ধেক পূর্ণ হয়ে গেল। অবশিষ্ট অর্ধেকের ব্যাপারে সে যেন আল্লাহকে ভয় করতে থাকে।” (মিশকাত শরীফ -২৬৭) মানুষের অধিকাংশ গুনাহ দুটি কারণে সংঘটিত হয়। একটি হয় তার লজ্জা স্থানের চাহিদা পূরণের কারণে আর অন্যটি হয় পেটের চাহিদা পূরণের কারণে। বিবাহের কারণে মানুষ প্রথমটি থেকে হেফাজতের রাস্তা পেয়ে যায়। সুতরাং তাকে কেবল রিযিকের ব্যাপারে চিন্তান্বিত থাকতে হয়। যাতে করে সে হারাম থেকে বেঁচে থাকতে পারে। একজন লোক খুব বড় আবেদ, তাহাজ্জুদ-চাশত-আওয়াবীন ইত্যাদি নফল নামায খুব পড়ে; কিন্তু সংসারের সাথে তার কোন সংশ্রব নেই। আরেকজন লোক ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতে মুআক্কাদা আদায় করে এবং বিবি বাচ্চার হক আদায়ে তৎপর থাকে ফলে তার বেশী বেশী নফল পড়ার কোন সময় হয় না। এতদসত্বেও শরীআত কিন্তু দ্বিতীয় ব্যক্তিকেই ইবাদাতগুজার হিসেবে মর্যাদা প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত মুতাবিক বিবাহ-শাদী করে পরিবারের দায়দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে হালাল রিযিকের ফিকির করছে, সে ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক মর্যাদাশীল যে চব্বিশ ঘণ্টা মসজিদে পড়ে থাকে বা বনে জঙ্গলে সন্ন্যাসীর মত জীবন যাপন করে আর সব রকমের সাংসারিক ঝামেলা থেকে মুক্ত থেকে তাসবীহ তাহলীলে মশগুল থাকে। বিবাহের অন্যতম আরো একটি ফায়দা হচ্ছে এই যে, এর দ্বারা রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ পালন করা হয়। কেননা, তিনি ইরশাদ করেছেনঃ “বিবাহ করা আমার সুন্নাত।” আরেক হাদীসে এসেছেঃ“ তোমাদের মধ্যে যাদের সামর্থ্য আছে, তারা বিবাহ কর।কারণ এর দ্বারা দৃষ্টি ও লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়।” (মিশকাত শরীফ- ২৬৭ পৃঃ) এছাড়াও বিবাহের দ্বারা মানুষ নিজেকে অনেক গুনাহের কাজ থেকে বাঁচাতে পারে। নেক আওলাদ হাসিল করতে পারে। আর নেক আওলাদ এমন এক সম্পদ যা মৃত্যুর পরে কঠিন অবস্থার উত্তরণে পরম সহযোগিতা করতে সক্ষম হয়। কারো যদি নেক সন্তান থাকে তাহলে তারা যত নেক আমল করবে, সেগুলো পিতা-মাতার আমলে যোগ দেয়া হবে। বিবাহ-শাদী যেহেতু শরীআতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি ইবাদত, সেহেতু এর মধ্যে কোনভাবে গুনাহ এবং আল্লাহ তা‘আলার নাফরমানীর কোন সংমিশ্রণ না হয় সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। তাছাড়া এতে বেপর্দা, নাচ-গান, অপব্যয়-অপচয়, ছবি তোলা, নাজায়িয দাবী-দাওয়া থেকে সম্পূর্ণরূপে দুরে থাকতে হবে। নতুবা মুবারক বিবাহের সমস্ত বরকতই নষ্ট হয়ে যাবে এবং স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য জীবনের সুখ-শান্তি সূচনাতেই ধ্বংস হয়ে যাবে। (মিশকাত শরীফ- ২/২৬৮।
| Groom's name | Visible once unlocked |
| Guardian's name | Visible once unlocked |
| Relationship | Visible once unlocked |
| Guardian's mobile | 017XXXXXXXX |
| hidden@email.com |